একটু আগেও ছিলো প্রখর রোদ। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে চারদিকে অন্ধকার হয়ে আসে। নীল গগণ ঢেকে যায় কালো মেঘে। যখন মেঘের ভেতরের পানির বিন্দুগুলো ভারী হয়ে বৃষ্টির ধারায় নেমে আসার উপক্রম হয়, তখন মেঘ কালো রং ধারণ করে। কারণ, পানির বিন্দুগুলো এত পুরু হয়ে ওঠে যে এর মধ্য দিয়ে সূর্যের আলো আসতে পারে না। তখন চারপাশের উজ্জ্বল আকাশের বিপরীতে সেই মেঘ ঘন কালো দেখায়। কালো মেঘে বৃষ্টি হয়।

কিশোরগঞ্জ বালিখোলা হাওরের আকাশে মেঘের এমন ঘনঘটায় নামছে আষাঢ়ের বারিধারা। বিজলী চমকানোর পর যেনো একেকটি ভয়ঙ্কর আর্তনাদে গুড়গুড় শব্দ। যেনো আকাশের বুক খালি করে নামলো অঝোরে বৃষ্টি। এসেছে আষাঢ়। বইছে আষাঢ়ে বৃষ্টির আনন্দ ধারা।
রবীন্দ্রনাথের মর্মবাণী মনে রেখে স্মরণ করি-
‘এমন দিনে ঘরে থাকা দায়।
এমন ঘণ ঘোর বরিষায়’-